গত শনিবার রাতে উপজেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইটে শুমারিকালীন তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এ তালিকায় স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিজ্ঞপ্তি আহ্বানের মাধ্যমে পাওয়া বৈধ আবেদনকারীদের ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। এরপর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত, রিজার্ভ ও অপেক্ষমাণ প্রার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
ফলাফল অনুযায়ী উপজেলার আটটি ইউনিয়নে চূড়ান্তভাবে ৬৯ জন তথ্যসংগ্রহকারী এবং ৬ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়। এর বাইরে তথ্যসংগ্রহকারী পদে ৬ জনকে রিজার্ভ ও ৪১ জনকে অপেক্ষমাণ রাখা হয়। এ ছাড়া সুপারভাইজার পদে একজনকে রিজার্ভ ও চারজনকে অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। তবে যুবদল ও ছাত্রদলের কিছু নেতা কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ না করে অভিযোগ করেন, স্থানীয় প্রভাবশালী একজন রাজনীতিবিদের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী পদে মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অনেক যোগ্য ব্যক্তি বাদ পড়েছেন।
এ প্রসঙ্গে দক্ষিণ সুরমার ইউএনও এমদাদুল হক শরীফ বলেন, ‘আমি তখন অফিসে ছিলাম না। তখন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক মিটিংয়ে যোগ দিতে আসি, এখনো এখানে আছি। শুনেছি, কিছু ব্যক্তি তখন গিয়ে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জন্য নিয়োগ করা লোকবল নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন। কিন্তু কী অনিয়ম হয়েছে, এর কোনো তথ্য তারা দেননি।’
কোনো রাজনীতিবিদের তালিকার ভিত্তিতে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কি না, এ অভিযোগের জবাবে ইউএনও বলেন, ‘এমন তথ্য সঠিক নয়। যারা আবেদন করেছেন, তাদের মধ্য থেকে স্বচ্ছতার ভিত্তিতেই যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’ এদিকে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জন্য লোকবল নিয়োগে মনোনীতদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর গত শনিবার রাতে জৈন্তাপুরে এবং গতকাল রোববার কোম্পানীগঞ্জ ও বালাগঞ্জ উপজেলায়ও বিক্ষোভ করেছেন একদল ব্যক্তি। তাদের অভিযোগ, নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। অযোগ্যদের তালিকায় ঠাঁই দেওয়া হয়েছে।