আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের দিগলবাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ছাদ ও দেয়ালে ফাটল, পলেস্তারা খসে পড়া এবং পিলারের রড বের হয়ে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে ১০৮ শিক্ষার্থী। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৪-৯৫ অর্থবছরে তিনটি শ্রেণিকক্ষ ও একটি অফিসকক্ষ নিয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হয়। ২০১৩ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হলেও এরপর উল্লেখযোগ্য কোনো অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। (৭ম পাতায় দেখুন) বর্তমানে বিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষক ও ১০৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষে দেখা গেছে, ছাদ ও দেয়ালের বিভিন্ন স্থানে ফাটল এবং পলেস্তারা খসে পড়েছে। কোথাও কোথাও পিলারের রড বের হয়ে আছে। বৃষ্টির সময় ছাদ চুইয়ে শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ায় পাঠদানও ব্যাহত হচ্ছে। সহকারী শিক্ষিকা কাকুলী রানী চৌধুরী বলেন, ভবনটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিটি কক্ষেই পলেস্তারা খসে পড়ছে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সব সময় আতঙ্কে থাকেন। প্রধান শিক্ষক রমেন্দ্র চন্দ্র চৌধুরী বলেন, নতুন ভবনের জন্য কয়েক বছর ধরে আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ প্রয়োজন।
অভিভাবকেরা জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের কারণে সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। দ্রুত ভবনটি সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানান তারা। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে আগেই চিহ্নিত করা হয়েছে।