স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ১নং পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নের পাড়ুয়া নোয়াগাঁও দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে মাদ্রাসার উন্নয়ন ও শিক্ষা অঙ্গনে সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির এই সাফল্যের পেছনে সুপার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব, নিরলস প্রচেষ্টা ও শিক্ষার প্রতি আন্তরিক অঙ্গীকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তাঁর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফলের পাশাপাশি মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন।
আদর্শ শিক্ষার প্রসার ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি এলাকার তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষায় গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখছে। শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম,শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিকতা, অভিভাবকদের সহযোগিতা এবং প্রতিষ্ঠানের সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলেই এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের মাধ্যমে দক্ষ ও যোগ্য মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে পাড়ুয়া নোয়াগাঁও দাখিল মাদ্রাসা।
সুপার হিসেবে মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান নিয়োগ পান ১-১-২০১৮ সালে। মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা হয় ১-১-১৯৬৫ সালে। প্রতিষ্ঠাতা সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত হাজী আব্দুর রাজ্জাক। ১৯৯৬ সালে পরীক্ষার্থী ছিলেন মাত্র তিনজন। মাদ্রাসার বিগত দিনের শিক্ষার মান উন্নয়নের স্টাফিং প্যাটার্নে নিয়োগ ছিলেন মাত্র ৮ জন শিক্ষক হাবিবুর রহমানের প্রচেষ্টায় কৃষি গণিত ইংরেজি আরবি দুজন সহ সব মিলিয়ে পাঁচজন।
একাডেমিক ভবনের জন্য স্থানীয় এমপি বরাবর আবেদন করে প্রায় তিন কোটি টাকার নতুন ভবন নির্মাণ করাতে সক্ষম হন। এবং পুরাতন একাডেমিক ভবন সংস্কারকরণে ১২ লক্ষাধিক টাকার বরাদ্দ আদায় করতে প্রচেষ্টা করেন তা অনুমোদন ও টেন্ডার হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে স্কাউট এবং কাব দল গঠন করেন পাশাপাশি তিনি উপজেলা স্কাউট কমিটির সদস্য। বিগত দিনে ৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
বিগত ২০২০ সালের দাখিল পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪০ জন কাঁঠালবাড়ি আলিম মাদ্রাসার পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দেন। তারই ধারাবাহিকতা ২০২১ সালে ৪৩ জন ২২ সালে ৩১ জন ২০ সালে ৩৩ জন ২০২৪ সালে ৩২ জন ২০২৫ সালের ৩৪ জন ২০২৬ সালে ৪৩ জন (A+পান ১জন) মোট কৃতকার্য ৩৩ জন। উপজেলা পর্যায়ে মাদ্রাসা শিক্ষায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান ২০২২ এবং ২০২৬ সালে নির্বাচিত হন। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকতায় শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা নির্বাচিত হন ১৭-১৮-১৯ সাল তিনবার। প্রতিষ্ঠানটিতে সর্বমোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৫০০ জন। তার প্রচেষ্টায় নিয়োগ পান- নিরাপত্তাকর্মী,আয়া,ল্যাব অপারেটর। সুপার
মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন,আমি শিক্ষক পেশাকে সম্মানজনক মনে করি শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ পাঠদানে ও দুর্বল ছাত্র ছাত্রীদের কৌশলে শিক্ষা কার্যক্রমে আগ্রহের চেষ্টা অভিভাবক,শিক্ষক,শিক্ষানুরাগী সকলের সুপরামর্শ সহযোগিতা কামনা করছি।