সিলেট নগরীর দাড়িয়াপাড়াস্থ চৈতালী সংঘের উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। দাড়িয়াপাড়া এলাকার এই মণ্ডপটি সিলেটের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় পূজামণ্ডপ হিসেবে পরিচিত, যা তার ব্যতিক্রমী প্রতিমা, নান্দনিক সাজসজ্জা এবং চোখধাঁধানো আলোকসজ্জার জন্য সর্বস্তরের দর্শনার্থীদের কাছে অন্যতম প্রধান আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
রোববার (১৮ অক্টোবর ) চৈতালী সংঘের পূজামণ্ডপে এক অভূতপূর্ব ধর্মীয় ও সামাজিক সম্মিলন ঘটে। প্রতিবছরের মতো এবারও পূজার আয়োজনে ছিল একাধিক দৃষ্টিনন্দন পরিবেশনা। তবে এবারের অনুষ্ঠানটির ব্যতিক্রমী ভাবনা, সময়োপযোগী পরিকল্পনা ও নিপুণ বাস্তবায়ন সব মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন চৈতালী সংঘের সভাপতি অ্যাডভোকেট অশেষ কর, সহ-সভাপতি গৌতম বণিক, মদন মোহন কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক চন্দন সাহা, সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্মল রায় রাজা, অর্থ সম্পাদক পংকজ দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক বিক্রম কর সম্রাট, ব্যবস্থাপনা উপ-পরিষদের আহ্বায়ক মৃদুলাল ভট্টাচার্য্য অপু, যুগ্ম আহ্বায়ক বিনায়ক চক্রবর্তী শুভ, অর্থ উপ-পরিষদের আহ্বায়ক শান্তনু দাস পান্না, যুগ্ম আহ্বায়ক ভ্রমর রায়, সাংগঠনিক উপ-পরিষদের আহ্বায়ক নীহার কুমার রায়, যুগ্ম আহ্বায়ক চমক দে পলু, পূজা অর্চ্চনা ও পরিচালনা উপ-পরিষদের আহ্বায়ক বিপ্রজীত দত্ত বিরাজ, যুগ্ম আহ্বায়ক বিশাল রুদ্র সেন, সাজসজ্জা উপ-পরিষদের আহ্বায়ক বিবেক কর, যুগ্ম আহ্বায়ক কপিলেশ্বর দেব অনুপসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। পুরো এলাকা বর্ণিল আলো ও উৎসবের আমেজে মুখর হয়ে ওঠে, যা সামাজিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, আমাদের লক্ষ্য শুধু দেবীর আরাধনা নয়; বরং সমাজে পারস্পরিক সম্প্রীতি, মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি চর্চাকে উৎসাহিত করা। সকল শুভানুধ্যায়ী ও স্বেচ্ছাসেবকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই আয়োজন সফল ও সার্থক হয়েছে।