মোঃআব্দুল মালিক: শিক্ষা,গবেষণা,লেখালেখি ও সমাজসেবায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড–২০২৬’ পেয়েছেন সিলেটের জকিগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ,লেখক, গবেষক ও সমাজসেবী মাওলানা মুখলিছুর রহমান। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডিতে ড্যাফোডিল প্লাজার ৭১ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মাওলানা মুখলিছুর রহমানকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এস এম মুজিবুর রহমান। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন আইবিএআইএস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ট্রেজারার অধ্যাপক মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলার উপদেষ্টা তাশিক আহমেদ এবং চিত্রনায়ক আজিজুল হাকিম ও ডি এ তায়েব।
এ ছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক এবং সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা সৈয়দ মাগরুব মোর্শেদ। মাওলানা মুখলিছুর রহমান জকিগঞ্জ পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের মাইজকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শিক্ষা, লেখালেখি,গবেষণা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি জকিগঞ্জের শিক্ষামূলক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান আল ইহসান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘জকিগঞ্জের দর্পণ’-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।এ ছাড়া সিলেটে অবস্থানরত জকিগঞ্জবাসীর সামাজিক সংগঠন ‘হৃদয়ে জকিগঞ্জ,সিলেট’-এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। পাশাপাশি খেলাফত মজলিসের সিলেট জেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন।সম্মাননা গ্রহণের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মাওলানা মুখলিছুর রহমান বলেন, “এ কৃতিত্ব আমার একার নয়, এ অর্জন পুরো জকিগঞ্জবাসীর। যেকোনো কাজে ইখলাস ও নিষ্ঠা থাকলে সফলতা আসে। এই শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড আমার কাজের গতি ও দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।”তাঁর এ অর্জনে জকিগঞ্জের সামাজিক,সাংস্কৃতিক,শিক্ষাঙ্গন ও সুধী মহলের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, এ সম্মাননা ভবিষ্যতে শিক্ষা,গবেষণা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁকে আরও উৎসাহিত করবে।