
বড়লেখা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় স্থায়ী নারী চা-শ্রমিকদের মাঝে রেইনকোট বিতরণ করা হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে নারী চা-শ্রমিকদের সহায়তা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ায় তাদের কর্মজীবনে সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ রেইনকোট বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শনিবার (১৭ অক্টোবর ২০২৬) বড়লেখা উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনাব মাহবুব আলম মাহবুব।
চা-শ্রমিকেরা দেশের অর্থনীতি ও চা-শিল্পের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিশেষ করে নারী চা-শ্রমিকেরা প্রতিদিন নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেন। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে চা-বাগানে কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় তাদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ অবস্থায় নারী চা-শ্রমিকদের মাঝে রেইনকোট বিতরণের উদ্যোগ তাদের দৈনন্দিন কর্মজীবনে কিছুটা স্বস্তি ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে এ ধরনের সহায়তামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং তাদের প্রতি রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা জোরদারের প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে। নারী চা-শ্রমিকদের প্রয়োজন ও কর্মপরিবেশ বিবেচনায় নিয়ে এ উদ্যোগ তাদের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বড়লেখা উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে উপজেলার স্থায়ী নারী চা-শ্রমিকদের হাতে রেইনকোট তুলে দেওয়া হয়। বর্ষাকালসহ বৃষ্টিপ্রবণ আবহাওয়ায় কর্মক্ষেত্রে যাতায়াত ও কাজের সময় বৃষ্টির দুর্ভোগ কমাতে রেইনকোটগুলো সহায়ক হবে।
চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং তাদের মৌলিক প্রয়োজনের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে চা-শ্রমিক পরিবারগুলোর মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
নারী চা-শ্রমিকদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ এবং তাদের কর্মজীবনে সহায়তা প্রদানের অংশ হিসেবে আয়োজিত এ রেইনকোট বিতরণ কর্মসূচি স্থানীয় পর্যায়ে শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।