• ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ,

দোয়ারাবাজারে বালুমহাল বন্ধ, ৫০ হাজার শ্রমিকের মানবেতর জীবনযাপন

Daily Sonali Sylhet
প্রকাশিত নভেম্বর ৮, ২০২৬
দোয়ারাবাজারে বালুমহাল বন্ধ, ৫০ হাজার শ্রমিকের মানবেতর জীবনযাপন

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ):
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে নানান জটিলতার কারণে চেলা নদীর বালুমহাল হতে বালু উত্তোলন করতে না পারায় কর্মহীনতায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন ৫০ হাজার শ্রমিক।

জানা যায়, ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন ও সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনাধীন জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের চেলা নদীর বালু মহাল প্রায় ২৭ কোটি টাকায় চলতি বছর ইজারা দেওয়া হয়। এই ইজারাকৃত বালু মহাল কে কেন্দ্র করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে ছাতক ও দোয়ারাবাজার দুই উপজেলার প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক।

চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে নানান অভিযোগের মধ্যদিয়ে বিভিন্ন কৌশলে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চললেও পানি শুকিয়ে যাওয়াতে আর স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক সীমান্তবর্তী এই নদীতে বালু মহালের সীমানা নির্ধারন করে না দেওয়ায় কয়েকমাস যাবত বন্ধ হয়ে আছে বালু উত্তোলন। এতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন ওইসব শ্রমিকরা।

স্থানীয় বাসিন্দা বাহার মিয়া,নুরুল গনি,মান্নান মিয়াসহ একাধিক শ্রমিক জানান, ইজারাকৃত নদীতেও আমরা বালু উত্তোলন করতে পারছিনা।নদীর পাড়ের মানুষের একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম হচ্ছে এই চেলা নদী। চেলা নদীতে বালু পাথর উত্তোলনের মাধ্যমেই আমাদের জীবিকা নির্বাহ করে থাকি। তবে পানি শুকিয়ে যাওয়ায় আর বিজিবি’র বাঁধা মুখে বালু উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা এখন কি করব,কোথায় যাবো?

তবে,স্থানীয় বিজিবি’র সদস্যরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের দাবি ভূমি প্রশাসন যেখানে ইজারাদারকে মহাল নির্ধারিত করে দিবে। সেখানে আমাদের কোন বাঁধার কারন নেই। আমার সীমান্তে জননিরাপত্তার জন্য কাজ করছি।

এবিষয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ ফাতেমা জান্নাত জানান,সপ্তাহ হয়নি আমি দোয়ারাবাজারে এসেছি। এখনো সবকিছু দেখা হয়নি। বিষয়টা দেখব।

০৮ নভেম্বর ২০২৬

দোয়ারাবাজারে বালুমহাল বন্ধ, ৫০ হাজার শ্রমিকের মানবেতর জীবনযাপন

বিস্তারিত কমেন্টে