• ১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ,

ভারতীয় সুপারি বোঝাই ট্রাক আটক, ছেড়ে দেওয়ায় স্থানীয়দের প্রশ্ন —চোরাচালানের মালামাল ছিল দাবি

Daily Sonali Sylhet
প্রকাশিত জুলাই ১৬, ২০২৬
ভারতীয় সুপারি বোঝাই ট্রাক আটক, ছেড়ে দেওয়ায় স্থানীয়দের প্রশ্ন —চোরাচালানের মালামাল ছিল দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট নগরীর সরকারি কলেজের সামনে ভারতীয় সুপারি বোঝাই একটি ট্রাক আটকের পর কোনো মামলা বা জব্দ ছাড়াই ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ট্রাকটিতে শুধু সুপারি নয়, অন্য কোনো চোরাচালানের পণ্য ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ২০২৬) বিকেল প্রায় ৫টা ২০ মিনিটে ঢাকা মেট্রো-ন ২৯-৯৫২৯ নম্বরের একটি নীল রঙের TATA ACE EX2 ট্রাক নগরীর সরকারি কলেজের সামনে স্থানীয়দের নজরে আসে। ট্রাকটির পেছনে সাদা বস্তাভর্তি ভারতীয় সুপারি ছিল বলে দাবি করেন তারা। খবর পেয়ে শাহপরান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রাকটি আটক করে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ ট্রাকটিকে কোনো মামলা দায়ের বা মালামাল জব্দ না করেই ছেড়ে দেয়। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা ধরনের সন্দেহ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “গাড়ির সুপারি সরাসরি ভারত থেকে এসেছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। শুধু সুপারি থাকলে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা উচিত ছিল। বস্তার নিচে বা ভেতরে অন্য কোনো চোরাচালানের পণ্য ছিল কি না, সেটিও ভালোভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন ছিল।”

স্থানীয়দের দাবি, সীমান্ত এলাকা দিয়ে নিয়মিত বিভিন্ন ভারতীয় পণ্য অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ করছে। তাদের আশঙ্কা, এসব চালানে সুপারির আড়ালে মাদক বা অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্যও আসতে পারে। এ কারণে কাস্টমস, বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর নজরদারির আহ্বান জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাহপরান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলিফ বলেন, “হরিপুর বাজারের ‘জালাল অ্যান্ড ব্রাদার্স’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মেমো দেখানো হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই করে ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”

তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রদর্শিত মেমোটি বৈধ আমদানির প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট ছিল কি না এবং ট্রাকের মালামাল যথাযথভাবে তল্লাশি করা হয়েছিল কি না—এসব বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলো স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস ও অন্যান্য দায়িত্বশীল সংস্থার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।

এ ব্যপারে শাহপরাণ থানার অফিসার ইনচার্জ এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি  সোনালী সিলেটকে বলেন আমি এসআই আলিফের সাথে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানাবো|

১৬ জুলাই ২০২৬

ভারতীয় সুপারি বোঝাই ট্রাক আটক, ছেড়ে দেওয়ায় স্থানীয়দের প্রশ্ন —চোরাচালানের মালামাল ছিল দাবি

বিস্তারিত কমেন্টে