
ক্রাইম ডেস্কঃ সিলেটের গোয়াইনঘাট থানা-পুলিশের বিশেষ অভিযানে শুক্রবার রাত আনুমানিক ১১ঘটিকার সময় গোয়াইনঘাট সবুজ দিঘির পাড় থেকে একটি এফজেড ভার্সন ত্রি মোটরসাইকেল ও ১৩০পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ্ এক ইয়াবা ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ।
মাদক কারবারি ঐ ব্যক্তির নাম অরুপ রায়(অপু)পিতা মনি রায়,মাথা রুবি রায়।স্থায়ী ঠিকানা সামাই মোহনগঞ্জ পল্লী নেত্রকোনা ময়মনসিংহ। বর্তমান ঠিকানা,মেঘনা সি-৩/১ মির্জাজাংগাল ওয়ার্ড নং-০২ সিলেট সিটিতে বসবাস করছেন।
হাজত খানা থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ি উধাও,পুলিশের বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ। গোপন সুত্রে জানা গেছে,আটকের পর ঐ ইয়াবা ব্যবসায়ি অরুপ এর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আরেক অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়িকে থানায় ডেকে নিয়ে আটক করে পুলিশ।
আটকৃত ব্যক্তির নাম জুবায়ের আহমদ,পিতা মৃত জলাল উদ্দিন সাং ছোটখেল থানা গোয়াইনঘাট।
আটককৃত ব্যক্তি জুবায়ের পুলিশের সাথে খেলেছে চোর পুলিশ গেইম: জানা গেছে এই অভিযানে পুলিশের সোর্স হিসেবে ভূমিকা পালন করেছিলো জুবায়ের আহমদ(২২)।
পুলিশ জানায়,জুবায়েরের তথ্যমতে অরুপকে আটকের পর তার কাছ থেকে যে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে সেটি আসল ইয়াবা নয়!তা ছিলো মায়াবড়ি ও গোবর দিয়ে তৈরি করা বড়ি, পরে আটককৃত ব্যক্তির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের ডায়াল কল তল্লাশি করে জুবায়ের নাম্বার পাওয়া গেলে তাঁকে থানায় ডেকে নিয়ে আটক করা হয়।
এদিকে জুবায়ের ও তার স্বজনেরা অভিযোগ তুলে বলেন,এসআই ফয়াজ উদ্দিন,কম্পিউটার অপারেটর জীবন,কং মাহমুদের মাধ্যমে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে থানায় নিয়ে ইয়াবাসহ আটককৃত ব্যক্তি অরুপ রায় এর স্থানে জুবায়েরেরকে দাঁড় করিয়ে ১৩০পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে তার নামে মিথ্যা মামলা রুজু করে পুলিশ।অন্যদিকে অরুপ রায়কে পাঁচ লক্ষ টাকা লেনদেনের বিনিময়ে থানার হাজত খানা থেকে ভোর ৪টার দিকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
অর্থ লেনদেন ও হাজত খানা থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ি অরুপ রায়(অপু)কে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে অস্বীকার করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা।
থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই ফয়াজ উদ্দিন বলেছেন,যে ইনফরমেশন দিয়ে আমাদেরকে হয়রানি করেছে সেটি আসল ইয়াবা নয়,এগুলো সে যার কাছে বিক্রি করেছে তাকেই আবার আমাদেরকে দিয়ে ধরিয়ে দিয়েছে। আটককৃত ব্যক্তি অরুপ রায়কে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে তিনি কোন বক্তব্য দেন নি।
জানতে চাইলে ওসি ওমর ফারুক বলেন,আমাদের উদ্দেশ্য মাদক কারবারিদের আটক করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া,আটক করে ছেড়ে দেওয়া ব্যক্তি আমাদের সোর্স ছিলো আমরা প্রকৃত মাদক কারবারিকে ধরার জন্য আমাদের সোর্সকে ক্রেতা হিসেবে পাঠিয়েছিলাম।তবেঁ হাজত খানা থেকে বা অর্থ লেনদেন করে কাউকে ছেড়ে দেওয়া হয় নি।
এ ঘটনায় ওসি কিংবা সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা মিডিয়াকে আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি স্পষ্ট করেন নি।