• ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ,

জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি! ১৯ বিজিবির সম্মানহানির অভিযোগ শংকর সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে

Daily Sonali Sylhet
প্রকাশিত নভেম্বর ৬, ২০২৬
জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি! ১৯ বিজিবির সম্মানহানির অভিযোগ শংকর সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে

বিশেষ প্রতিবেদকঃ সিলেটের জৈন্তাপুর: সীমান্ত রক্ষায় দিন-রাত অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (১৯ বিজিবি)। অথচ জৈন্তাপুর উপজেলার গিলাতৈল ও খলাবন সীমান্ত এলাকায় বিজিবির নাম ভাঙিয়ে একটি চক্র চাঁদাবাজি করছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই চক্রের কারণে দেশপ্রেমিক বাহিনী বিজিবির সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে দাবি করছে স্থানীয় সচেতন মহল।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কথিত শংকর সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে এই চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি) -এর নাম ব্যবহার করে চোরাকারবারিদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে এই সিন্ডিকেট।

স্থানীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, শংকর সিন্ডিকেট চোরাকারবারিদের কাছে নিজেদেরকে বিজিবির লাইনম্যান হিসেবে পরিচয় দেয়। বিজিবি কখন, কোন দিকে টহলে বের হচ্ছে, তার গোপন খবর চোরাকারবারিদের কাছে পৌঁছে দেয় তারা। বিনিময়ে, ভারত থেকে অবৈধভাবে আসা মালামাল পারাপারের জন্য চোরাকারবারিদের লাইন ক্লিয়ার সিগন্যাল’দেয় । আর এই সিগন্যালের বিনিময়ে প্রতি চালানে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় করা হয়।

এক কথায়, বিজিবি যখন চোরাচালান বন্ধে অভিযান চালাচ্ছে, তখন এই সিন্ডিকেট ভেতর থেকে বিজিবির তথ্য পাচার করে চোরাচালানকে সহযোগিতা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, শংকর সিন্ডিকেটের এই কর্মকাণ্ডে শুধু সীমান্তের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে না, বরং দেশের গর্ব ১৯ বিজিবির সম্মানহানি হচ্ছে। সাধারণ মানুষ মনে করছে, হয়তো বিজিবিই এই টাকা নিচ্ছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

একজন সচেতন নাগরিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে – জানান “১৯ বিজিবি অত্যন্ত সুনামের সাথে চোরাচালান বিরোধী অভিযান চালাচ্ছে, আমরা প্রতিদিন তাদের সাফল্য দেখছি। কিন্তু কিছু দালাল, সিন্ডিকেট বিজিবির নাম বিক্রি করে চাঁদাবাজি করছে। এদের কারণে বিজিবির বদনাম হচ্ছে।”

এলাকাবাসীর জোর দাবি, অতি দ্রুত এই কথিত শংকর সিন্ডিকেটকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। যারা বিজিবির নাম ভাঙিয়ে চোরাকারবারিদের সহযোগিতা ও চাঁদাবাজি করছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করা এখন সময়ের দাবি। সীমান্তে বিজিবির চলাচলের গোপন তথ্য পাচার করা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তাই এই চক্রকে দ্রুত আইনের আওতায় না আনলে সীমান্তে চোরাচালান আরও বাড়বে।

এ বিষয়ে জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি)-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সচেতন মহল, যাতে বাহিনীর নাম ব্যবহারকারী এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

০৬ নভেম্বর ২০২৬

জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি! ১৯ বিজিবির সম্মানহানির অভিযোগ শংকর সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে

বিস্তারিত কমেন্টে