
নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবীর ওসমানীর রাজনৈতিক আদর্শ ও পিতা প্রয়াত এডভোকেট নুরুল ইসলাম খানের উত্তরাধিকারকে সামনে রেখে জাতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট তাহমিনুল ইসলাম খান। দলটির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে তিনি ইতোমধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন পুনর্গঠন ও দেশের ৬৪ জেলায় সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছেন।
জাতীয় জনতা পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত এডভোকেট নুরুল ইসলাম খানের পুত্র তাহমিনুল ইসলাম খান দায়িত্ব গ্রহণের পর দলকে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও কার্যকর রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
নতুন নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক সাংগঠনিক যাত্রার অংশ হিসেবে গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সিলেটে আসেন তিনি। প্রথমে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। পরে বিশ্বনাথ উপজেলার শ্রীধরপুর গ্রামে গিয়ে পিতা প্রয়াত এডভোকেট নুরুল ইসলাম খানের মাজার জিয়ারত করেন। পিতার মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নতুন দায়িত্বে তাঁর সাংগঠনিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। এ সময় এডভোকেট তাহমিনুল ইসলাম খান জাতীয় জনতা পার্টির আদর্শ, উদ্দেশ্য ও রাজনৈতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর জেনারেল মহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী প্রতিষ্ঠিত জাতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্বে এ পরিবর্তনকে ঘিরে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যেও নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন, নতুন নেতৃত্বে সংগঠনটি তৃণমূল পর্যায়ে আরও গতিশীল হবে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট তাহমিনুল ইসলাম খান দীর্ঘদিন ধরে আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত। পিতার রাজনৈতিক আদর্শ ও দলের ঐতিহ্যকে ধারণ করে এবার তিনি রাজনীতির মাঠে সংগঠনকে নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন জেলা ও তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সক্রিয় করা, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং জাতীয় জনতা পার্টির রাজনৈতিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করাই নতুন চেয়ারম্যানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। নতুন নেতৃত্বকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা—৬৪ জেলায় সাংগঠনিক কার্যক্রম বিস্তারের মধ্য দিয়ে জাতীয় জনতা পার্টি আবারও জাতীয় রাজনীতির মাঠে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করতে পারবে।