
সাহেদুর রহমান,জৈন্তাপুর: জৈন্তাপুরে গর্ভবতী ফারহানা ও নবজাতক বাচ্চার মৃত্যু: ছয় দিনেও পরিবারের পাশে দাঁড়ায়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, নানা প্রশ্ন স্বজনদের। নরমাল ডেলিভারির জন্য জৈন্তাপুর সদর দি জৈন্তা সেন্টাল হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি, পরে সিলেটে নেওয়ার পথে প্রসূতি ফারহানার মৃত্যু। সিলেটের একটি প্রাইভেট হসপিটালে নবজাতক বাচ্চার ও মৃ*’ত্যু
মৃ*’ত্যু’র ছয় দিন পেরিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কোনো ধরনের সান্ত্বনা বা সমবেদনা জানানো হয়নি—এমন অভিযোগ করেছেন নিহত ফারহানার স্বজনরা।
স্বজনদের অভিযোগ, ফারহানাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা নরমাল ডেলিভারি হবে এবং সিজারের প্রয়োজন হবে না বলে জানান। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তড়িঘড়ি করে অ্যাম্বুলেন্স যোগে সিলেট শহরের একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু সিলেটে নেওয়ার পথে ফারহানার মৃত্যু হয়।
এদিকে মৃত্যুর পর গোসলের সময় মৃতদেহ থেকে কাঁচি, কয়েক টুকরো বড় ব্যান্ডেজের প্যাকেট, ফারহানার পরনের শাড়ি এবং পলিথিনে রাখা ময়লা কাপড় পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এসব সামগ্রী কীভাবে মৃতদেহের সঙ্গে পাওয়া গেল এবং এর সঙ্গে মৃত্যুর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না—তা নিয়ে স্বজনদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তবে এসব সামগ্রী পাওয়ার বিষয়টি কীভাবে ঘটেছে এবং চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা ছিল কি না—তা এখনো তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না।
স্বজনদের আরও অভিযোগ, ঘটনার ছয় দিন পেরিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কেউ ফারহানার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে আসেননি, ফোন করে খোঁজ নেননি কিংবা অন্তত সমবেদনা জানাননি। এতে পরিবারটির মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে।
নিহত ফারহানার পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং কোনো ধরনের চিকিৎসাগত অনিয়ম হয়ে থাকলে তার দায় নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানান, বিষয়টি তারা সমাধানের চেষ্টা করবেন।