
স্টাফ রিপোর্টার: গোয়াইনঘাট: সিলেটের সীমান্তবর্তী গোয়াইনঘাটে চোরাচালান, প্রভাব বিস্তার ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগে আলোচনায় রয়েছেন দুই ভাই নজরুল মোল্লা ও জয়নুল ইসলাম। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তকেন্দ্রিক বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে তোয়াকুল ও আশপাশের এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, নজরুল মোল্লা সীমান্তপথে ভারতীয় চিনি, জিরা, রসুনসহ বিভিন্ন পণ্য আনা-নেওয়ার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তার বিরুদ্ধে ২০২৩ সালে সিলেট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দায়ের করা প্রায় ৫ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় চিনি চোরাচালান মামলায় এজাহারনামীয় ৫ নম্বর আসামি থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
মামলাটি জিআর-১৫১/২০২৩ এবং তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে তার ছোট ভাই জয়নুল ইসলামকে ঘিরে সোনা চোরাচালানসহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ২০২৩ সালের দিকে জয়নুলের কথিত সিন্ডিকেটের এক সদস্য সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ মার্কিন ডলারসহ আটক হলেও জয়নুল ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, চোরাচালানের প্রতিবাদ করলেই নজরুল ও জয়নুলের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি, মারধর, মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি ও বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। তাদের প্রভাবের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে অভিযোগ করতে সাহস পান না বলেও দাবি স্থানীয়দের। এদিকে নজরুল মোল্লাকে জেলা ডিবির কথিত ‘লাইনম্যান’ এবং মাসিক ৫ লাখ টাকার চুক্তিতে চোরাচালান সিন্ডিকেট পরিচালনার যে অভিযোগ উঠেছে,।
এলাকাবাসীর দাবি, নজরুল মোল্লা ও জয়নুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক। এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে নজরুল ও জয়নুল ইসলামের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।