
নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বঞ্চিত সিলেট ও সিলেটবাসীর দুঃখ দূর করতে ব্যাপক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সিলেটের দুই মন্ত্রী। সিলেটের স্বাস্থ্যখাতকে আরও উন্নীতকরণের বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
নাগরিক দূর্ভোগ কমাতে প্রায় ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২৩ সালে নির্মাণ হয় সিলেট জেলা হাসপাতাল। কিন্তু নির্মাণকাজ ২০২৩ সালে শেষ হলেও এতোদিন এটি চালু করা যায়নি। প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলো এ হাসপাতাল। কিন্তু অবশেষে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের হস্তক্ষেপে শীঘ্রই ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে বলে জানা গেছে। একই সাথে সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি ১২০ শয্যার অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনাও চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে আরেকটি সুখবর দিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। মঙ্গলবার (২ জুন) রাত ৯টার দিকে তিনি বিমানের একটি ফ্লাইটে তিনি সিলেটে আসবেন। সিলেটে চীনের বিনিয়োগে ১ হাজার শয্যার একটি হাসপাতাল নির্মাণের কথা দীর্ঘদিন থেকে শোনা গেলেও এইবার সেই হাসপাতালও আলোর মুখ দেখতে চলেছে। ১ হাজার শয্যার ওই হাসপাতালের জন্য স্থান নির্বাচন প্রক্রিয়ায় জন্য সিলেট সফরে আসছেন স্বয়ং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (২ জুন) রাত সোয়া ৯টায় তিনি সিলেট সার্কিট হাউজে চীনা বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ১ হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের ব্যাপারে প্রাথমিক আলোচনা ও স্থান নির্বাচন করবেন। এবং বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চীনা বিনিয়োগকারীদের নিয়ে তার নির্বাচনী এলাকা সিলেট-৪ আসনের গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সম্ভাব্য স্থানগুলো সরজমিন পরিদর্শন করবেন।